সমিতির হিসাব মানে সদস্যদের কষ্টের টাকার হিসাব। তাই “বিশ্বাস করুন” বলে দাবি করার বদলে আমরা পরিষ্কার করে লিখে দিচ্ছি — আপনার তথ্য কোথায় থাকে, কে দেখতে পায়, হিসাব বদলানো যায় কি না, আর আমরা কোন কোন প্রতিশ্রুতি দিই না।
কারিগরি ভাষা নয় — সহজ বাংলায়, ঠিক যেমনটা অ্যাপে কাজ করে।
অ্যাপ ও সার্ভারের মধ্যে সব তথ্য এনক্রিপ্টেড সংযোগে যায়, আর জমা থাকে ক্লাউড সার্ভারে। ফোন হারালে, ভেঙে গেলে বা অ্যাপ মুছে ফেললেও এক টাকার হিসাবও হারায় না — নতুন ফোনে একই নম্বরে লগইন করলেই সব ফিরে আসে।
প্রতিটি সমিতির হিসাব সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখা। অন্য কোনো সমিতি, অন্য কোনো ব্যবহারকারী আপনার সদস্য বা লেনদেনের তথ্য দেখতে পান না।
কোনো লেনদেন সরাসরি ডিলিট হয় না — কারণ লিখে বাতিল করতে হয়, আর অ্যাপ উল্টো এন্ট্রি দিয়ে হিসাব সমান করে। মূল এন্ট্রি রেকর্ডে থেকেই যায়, তাই অডিটে পুরো ইতিহাস দেখানো যায়।
প্রতিটি এন্ট্রিতে কে করেছে আর কখন করেছে তা রেকর্ড হয়। স্টাফ চলে গেলে তার অ্যাক্সেস সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করা যায়, কিন্তু তার করা লেনদেনের রেকর্ড মুছে যায় না।
যেকোনো সময় সদস্য-তালিকা, লেনদেন ও রিপোর্ট Excel/CSV ও PDF আকারে নামিয়ে নিজের কাছে রাখতে পারেন। কেউ আপনাকে আটকে রাখে না।
আর ব্যবহার করতে না চাইলে অ্যাকাউন্ট ও তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ করা যায় — ওয়েবসাইটেই আলাদা পাতা আছে।
এই অংশটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — সমিতির টাকা নিয়ে যেন কোনো ভুল বোঝাবুঝি না থাকে।
সমিতি কিপার লাইট একটি হিসাব রাখার সফটওয়্যার। সদস্যদের সঞ্চয়, কিস্তি বা আমানতের টাকা সমিতির নিজের কাছেই থাকে — আমাদের কোনো অ্যাকাউন্টে জমা হয় না, আমরা কোনো টাকা ধরে রাখি না বা বিনিয়োগ করি না।
আমাদের কাজ আপনার হিসাবকে নির্ভুল, স্বচ্ছ ও নিরাপদ রাখা। সমিতির টাকা কীভাবে চলবে, কাকে ঋণ দেওয়া হবে — সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আপনার ও আপনার কমিটির।
আমরা আমানত নিই না, ঋণ দিই না, মুনাফার নিশ্চয়তা দিই না, কোনো বিনিয়োগ পরামর্শও দিই না। সমিতি পরিচালনার আইনি দায়দায়িত্ব সমিতির নিজের।
আপনি যা পরিশোধ করেন তা কেবল অ্যাপ ব্যবহারের সাবস্ক্রিপশন ফি (ও চাইলে SMS ব্যালেন্স/প্রিমিয়াম মডিউল)। প্রতিটি পেমেন্টের ইনভয়েস অ্যাপেই থাকে।
প্যাকেজের দাম আগেই বলা থাকে। SMS ও প্রিমিয়াম মডিউল আলাদা — কিন্তু সেটাও কেনার আগে দাম দেখে নেবেন, কেনা না হলে টাকা কাটে না।
সাবস্ক্রিপশনের মেয়াদ ফুরালে অ্যাপ বন্ধ হয়, কিন্তু আপনার হিসাব মুছে যায় না — নবায়ন করলে সব আগের মতোই ফিরে পাবেন।
অ্যাপ নামিয়ে নিজের সমিতির তথ্য দিয়ে চালিয়ে দেখুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
অ্যাপের ভেতরেই সাপোর্ট চ্যাট, আর ১৭টি বিভাগে সাজানো ৮৫+ প্রশ্নের FAQ — উত্তর পাবেন নিজের ভাষায়।
কে আদায় করবে, কে রিপোর্ট দেখবে, কে কিছুই বাতিল করতে পারবে না — প্রতিটি অনুমতি আপনি ঠিক করে দেন।
আপনার সদস্য বা লেনদেনের তথ্য বিজ্ঞাপন বা তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করা হয় না। বিস্তারিত গোপনীয়তা নীতিতে লেখা আছে।
যেকোনো সফটওয়্যারে সমিতির হিসাব তোলার আগে এই চারটা কাজ করে নেওয়া উচিত — আমাদের ক্ষেত্রেও।
কারও কথায় নয় — নিজের সমিতির কয়েকজন সদস্য বসিয়ে দুই-চার দিন চালান। যা দেখছেন, সেটাই সত্যি।
কী শর্তে সেবা দিচ্ছি, তথ্য কীভাবে ব্যবহার হয় — ওয়েবসাইটেই খোলা আছে, লগইন ছাড়াই পড়া যায়।
প্রশ্ন থাকলে কেনার আগেই জিজ্ঞাসা করুন — অফিসের ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য ওয়েবসাইটে দেওয়া।
কয়েক দিনের হিসাব অ্যাপে তুলে PDF রিপোর্ট বের করুন, খাতার সাথে মিলিয়ে নিন — মিলে গেলেই আস্থা।
শর্ত, গোপনীয়তা নীতি ও অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার নিয়ম — সব ওয়েবসাইটেই খোলা রাখা আছে।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যা জানা দরকার, সবটা জেনে নিন — এরপর শুরু করুন।