মোবাইল নম্বর + OTP দিয়ে সাইন আপ
কোনো কাগজ, কম্পিউটার বা অফিসে যাওয়া লাগে না — নম্বরে আসা OTP বসালেই অ্যাকাউন্ট তৈরি।
সমিতি কিপার লাইট অ্যাপে আজ যা যা আছে, তার পূর্ণ তালিকা এই এক পাতায়। কোনো “শীঘ্রই আসছে” নয় — প্রতিটি সুবিধা এখনই ব্যবহার করা যায়। উপরের বক্সে লিখে যেকোনো ফিচার খুঁজে নিন।
কাগজপত্র ছাড়াই শুরু — শুধু একটা মোবাইল নম্বর
কোনো কাগজ, কম্পিউটার বা অফিসে যাওয়া লাগে না — নম্বরে আসা OTP বসালেই অ্যাকাউন্ট তৈরি।
সমিতির নাম, আপনার নাম, কোন কোন সুবিধা চালু থাকবে ও অ্যাপের চেহারা — শুরুতেই গুছিয়ে নেওয়া।
প্রথমবারের পর আর OTP লাগে না — অ্যাপ খুলে শুধু পিন দিলেই ঢুকে যাবেন।
সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর, লোন, শেয়ার, আয়-খরচ, রিপোর্ট, SMS — যা ব্যবহার করেন শুধু তা-ই চালু রাখুন, বাকিটা লুকিয়ে যায়।
মালিক, ম্যানেজার, হিসাবরক্ষক ও আদায়কারী — যে যার ফোনে লগইন করে, হিসাব একটাই।
একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে চলে; ট্যাবের বড় স্ক্রিনেও সব ঠিকঠাক দেখায়।
প্রতিটি স্ক্রিন, বোতাম, তারিখ ও সংখ্যা বাংলায় — অনুবাদ করা বিদেশি অ্যাপ নয়।
কম-অক্ষরজ্ঞান ব্যবহারকারীও ছবি দেখে কাজ চালাতে পারেন — আলাদা প্রশিক্ষণ লাগে না।
প্রতিটি সদস্যের আগের জমা ও লোনের ওপেনিং ব্যালেন্স বসিয়ে খাতা থেকে অ্যাপে চলে আসুন।
নতুন সংস্করণ এলে অ্যাপেই জানিয়ে দেয় — কী কী যোগ হলো তার তালিকাসহ।
প্রতিটি সদস্যের পূর্ণ প্রোফাইল ও হিসাব এক জায়গায়
নাম, মোবাইল, ঠিকানা ও পরিচয় দিয়ে নতুন সদস্য যোগ — সদস্য নম্বর অ্যাপই দেয়।
সদস্যের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও নমিনির নাম-সম্পর্ক সংরক্ষণ।
ভর্তির সময় ফি নিলে সেটা সরাসরি আয় হিসেবে হিসাবে বসে যায় — আলাদা এন্ট্রি লাগে না।
গ্রাম, পাড়া বা দল ধরে সদস্য ভাগ করুন — আদায় ও রিপোর্ট এলাকাভিত্তিক করা যায়।
ব্যাংকের পাসবইয়ের মতো — সদস্যের সব জমা, উত্তোলন ও কিস্তির পূর্ণ ইতিহাস।
নাম, নম্বর বা এলাকা দিয়ে খুঁজুন; বকেয়া বা অনিয়মিত সদস্য আলাদা করে দেখুন।
সদস্য নিজের ফোনে ঢুকে শুধু নিজের হিসাব দেখতে পারে — অন্য কারও তথ্য নয়।
কেউ সমিতি ছাড়লে পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে হিসাব বন্ধ — রেকর্ড কিন্তু থেকে যায়।
ডিপিএস, এফডিআর ও শেয়ারের প্রমাণপত্র ছবি আকারে সেভ বা শেয়ার করুন।
দৈনিক-সাপ্তাহিক-মাসিক জমা, উত্তোলন ও মুনাফা
সদস্য বেছে টাকার অঙ্ক দিন — ব্যালেন্স সঙ্গে সঙ্গে হালনাগাদ।
সদস্য টাকা তুলতে চাইলে উত্তোলন এন্ট্রি — ব্যালেন্সের বেশি তোলা আটকে যায়।
সঞ্চয়ের ওপর নির্ধারিত হারে মুনাফা — অ্যাপ নিজেই হিসাব করে খাতায় বসায়।
গতকাল বা আগের কোনো দিনের আদায় আজ তুলতে চাইলে তারিখ বদলে এন্ট্রি দিন।
কে কবে কত জমা দিয়েছেন, কত তুলেছেন — সময়ক্রমে সাজানো।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক — আলাদা নিয়মের সঞ্চয় পণ্য তৈরি করুন।
কোন সদস্য কতটা জমা দিতে সক্ষম — লক্ষ্য ঠিক করতে সাহায্য করে।
কিস্তিভিত্তিক মেয়াদি সঞ্চয়ের পূর্ণ ব্যবস্থাপনা
মেয়াদ, কিস্তির অঙ্ক ও মুনাফার হার দিয়ে সদস্যের নামে হিসাব চালু।
কে কত কিস্তি দিয়েছেন, কয়টা বাকি — এক নজরে, আদায় এক ট্যাপে।
নির্দিষ্ট সদস্যের জন্য স্কিমের কিস্তি ওভাররাইড করা যায়।
পুরনো ডিপিএস অ্যাপে তুলতে আগের জমা এককালীন বসিয়ে দিন।
কিস্তি মিস হলে নির্ধারিত হারে জরিমানা আদায়ের সময় নিজেই যোগ হয়।
মেয়াদ শেষে মুনাফাসহ মোট টাকা সদস্যকে ফেরত — হিসাব অ্যাপই কষে দেয়।
আগে ভাঙতে চাইলে নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ ও হিসাব বন্ধ।
একজন সদস্যের একাধিক ডিপিএস আলাদা আলাদা চলতে পারে।
আগামী ৯০ দিনে কার কার মেয়াদ শেষ — আগেই জেনে টাকা গুছিয়ে রাখুন।
এককালীন আমানত ও মুনাফার স্বয়ংক্রিয় হিসাব
এককালীন টাকা, মেয়াদ ও মুনাফার হার — হিসাব চালু।
মুনাফা নিজে থেকেই আলাদা মুনাফা-খাতে জমতে থাকে, মূল টাকার সাথে মেশে না।
মেয়াদ শেষে একবারে, নাকি প্রতি মাসে মুনাফা দেবেন — দুটোই সম্ভব।
মূল আমানত অক্ষত রেখে শুধু জমে থাকা মুনাফা তুলে দেওয়া যায়।
মেয়াদ শেষের আগেই অ্যাপ মনে করিয়ে দেয়।
মেয়াদ শেষে একই বা নতুন শর্তে এফডিআর নবায়ন।
বিতরণ থেকে আদায়, বকেয়া ও খেলাপি — সব ট্র্যাকিং
সুদের হার, মেয়াদ ও কিস্তির ধরন ঠিক করে নিজের লোন স্কিম বানান।
আবেদন → অনুমোদন → বিতরণ — ধাপে ধাপে, রেকর্ডসহ।
টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কিস্তির শিডিউল অ্যাপই তৈরি করে দেয়।
প্রতিটি কিস্তির এন্ট্রিতে আসল ও সুদ আলাদা করে বসে, বকেয়া অটো হিসাব।
কার কার কিস্তি সামনে — আগেই জেনে আদায়ের প্রস্তুতি নিন।
কিস্তি দেরি হলে নির্ধারিত হারে জরিমানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়।
কে কত নিয়ে বসে আছে, কত শোধ হয়েছে, কত ওভারডিউ — এক তালিকায়।
বকেয়ার বয়স (৩০/৬০/৯০ দিন) ধরে ভাগ করা তালিকা ও খেলাপি রিপোর্ট।
আদায় অসম্ভব হলে নিয়ম মেনে মাফ বা রাইট-অফ, কারণসহ।
ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখার হিসাব।
কে জামিনদার, কী জামানত রাখা হলো — লোনের সাথে সংরক্ষিত।
মাঠে দাঁড়িয়ে দ্রুত আদায় — দুর্বল নেটেও
এক সদস্যের সঞ্চয়, ডিপিএস ও লোনের কিস্তি — একসাথে এক স্ক্রিনে আদায়।
আদায়কারী এলাকা ধরে ধরে তালিকা পান — কে বাকি, স্পষ্ট।
ধীর নেটওয়ার্কেও আদায় সেভ হয়, আর একই আদায় দুবার বসা অ্যাপ নিজেই আটকায়।
একজনের কয়েকটি খাতে আদায় হলেও সদস্যের ফোনে একটাই পরিষ্কার SMS যায়।
সাথে সাথে রসিদ — ব্লুটুথ থার্মাল প্রিন্টারে ছাপুন বা ছবি করে পাঠান।
স্টাফের হাতে আদায় হওয়া টাকা তার নিজের ওয়ালেটে জমে; অফিসে জমা দিলে হস্তান্তর এন্ট্রি।
হোম স্ক্রিনে আজকের আদায়ের অঙ্ক — ট্যাপ করলেই কে কত দিলেন তার বিস্তারিত।
কোন খাতে, কোন সদস্য, কত টাকা, কখন, কে তুলল — প্রতিটি লাইন আলাদা।
কোন স্টাফ কত আদায় করছে — তুলনামূলক রিপোর্ট।
সমিতির প্রতিদিনের খরচ ও অন্যান্য আয়
অফিস ভাড়া, বেতন, যাতায়াত — হোম স্ক্রিন থেকেই এক ট্যাপে খরচ লিখুন।
ফি, জরিমানা বা যেকোনো আয় — একই সহজ ফর্মে।
আয় ও খরচের খাত (ক্যাটাগরি) নিজে তৈরি ও সাজিয়ে নিন।
কোন তহবিল থেকে টাকা গেল বা এলো — বেছে দিলে ঠিক সেখানেই ব্যালেন্স ওঠানামা করে।
স্টাফের করা খরচ মালিকের অনুমোদনের পর হিসাবে ঢোকে।
কোন খাতে কত খরচ হচ্ছে — চার্টসহ বিশ্লেষণ।
ভুল এন্ট্রি কারণসহ বাতিল হয়, উল্টো এন্ট্রিতে হিসাব সমান হয়, মূল রেকর্ড থেকে যায়।
পূর্ণাঙ্গ ডাবল-এন্ট্রি অ্যাকাউন্টিং — নিজে থেকেই
প্রতিটি লেনদেন নিজে থেকেই ডেবিট-ক্রেডিট হয়ে খতিয়ানে যায় — আপনাকে কিছু শিখতে হয় না।
সম্পদ, দায়, আয়, ব্যয় — সাজানো হিসাব-কাঠামো, চাইলে নিজের খাত যোগ করুন।
যেকোনো খাতের সব লেনদেন এক লেজারে।
ট্রায়াল ব্যালেন্স — দুই পাশ মিলছে কি না এক নজরে।
নির্দিষ্ট সময়ের আয়-ব্যয় ও নিট ফলাফল।
ব্যালেন্স শীট — সমিতির সম্পদ ও দায়ের পূর্ণ চিত্র।
দিনের শেষে হাতে নগদ মিলিয়ে ক্লোজিং — গরমিল ধরা পড়ে তখনই।
বিশেষ সমন্বয়ের দরকার হলে সরাসরি জার্নাল এন্ট্রি।
একাধিক ব্যাংক হিসাব, জমা-উত্তোলন ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
নগদ-ভিত্তিক সমিতির চিরাচরিত প্রাপ্তি-প্রদান বিবরণী।
কোন লেনদেন কে, কখন, কী কারণে বাতিল করল — আলাদা রিপোর্টে।
মডিউল ধরে সাজানো রিপোর্ট ডিরেক্টরি — PDF ও Excel
দিন ও মাস ভিত্তিক সারাংশ, আর সদস্য ধরে ধরে বিস্তারিত।
প্রতিটি সদস্যের সব খাতের ব্যালেন্স এক তালিকায়।
কোন এলাকায় কতজন, কার কত জমা।
যারা নিয়মিত জমা দিচ্ছেন না — আগেই চিহ্নিত।
মাস ধরে ধরে জমা ও উত্তোলনের চিত্র।
কিস্তি, জমা ও উত্তোলনের মাসভিত্তিক হিসাব।
চলমান আমানত, মুনাফা ও মেয়াদের অবস্থা।
বাকি, কিস্তি ও ওভারডিউ — সবচেয়ে বেশি দেখা রিপোর্ট।
কার কবে কিস্তি, আর মাঠে নেওয়ার জন্য আদায় শীট।
বকেয়ার বয়স ধরে ভাগ করা ঝুঁকির তালিকা।
৩০/৬০/৯০ দিনের ঝুঁকিতে থাকা পোর্টফোলিওর অনুপাত।
টাকা কোথা থেকে এলো, কোথায় গেল — ক্যাশ ফ্লো।
আমানতের তুলনায় কত ঋণ বিতরণ হয়েছে — স্বাস্থ্যের সূচক।
আগামী ৯০ দিনে কোন কোন হিসাবের মেয়াদ শেষ।
দীর্ঘদিন লেনদেন নেই এমন হিসাব চিহ্নিত।
সবচেয়ে বড় ২০ জন — দুই দিক থেকেই।
১২ মাসে কতজন এলেন, কতজন গেলেন।
কোন লোন পণ্য থেকে কত আয় — সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
কাকে কত মুনাফা দেওয়া হলো তার পূর্ণ হিসাব।
প্রতিদিনের আয়-খরচ পঞ্জিকার মতো সাজানো।
প্রায় প্রতিটি রিপোর্ট সুন্দর বাংলা ফন্টে PDF, বা Excel/CSV — WhatsApp-এ শেয়ারও করা যায়।
যেগুলো রোজ লাগে সেগুলো ফেভারিট করে উপরে রাখুন।
সদস্যের আস্থা তৈরি হয় প্রতিটি SMS-এ
জমা, উত্তোলন ও কিস্তি আদায়ের সাথে সাথে সদস্যের মোবাইলে নিশ্চিতকরণ।
কিস্তির দিন বা বকেয়ার কথা আগেই মনে করিয়ে দেওয়া।
প্রতিটি ধরনের SMS-এর লেখা নিজের ভাষায় সাজিয়ে নিন।
কোন SMS কার কাছে কখন গেল, ডেলিভার হলো কি না — সব রেকর্ড।
SMS ব্যালেন্স অ্যাপ থেকেই বিকাশে কিনে নিন — বাইরে যেতে হয় না।
সমিতির নিজের মাস্কিং গেটওয়ে থাকলে সেটি বসিয়ে নিজের নামে SMS পাঠান।
বকেয়া, আদায়ের সারাংশ ও জরুরি আপডেট সরাসরি ফোনে।
কোন ধরনের খবর পেতে চান আর কোনটা চান না — নিজেই ঠিক করুন।
সমিতির ঘোষণা সব ব্যবহারকারীর কাছে একসাথে পৌঁছে দিন।
কে কতটুকু করতে পারবে — আপনি ঠিক করেন
ম্যানেজার, হিসাবরক্ষক বা আদায়কারী — ভূমিকা দিলেই নিজস্ব লগইন তৈরি।
কে আদায় করতে পারবে, কে রিপোর্ট দেখবে, কে কিছুই মুছতে পারবে না — সব আলাদা করে ঠিক করা যায়।
কেউ চলে গেলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাক্সেস বন্ধ — তার করা রেকর্ড কিন্তু থেকে যায়।
ফোন হারালে বা চুরি হলে সেই নির্দিষ্ট ডিভাইসের লগইন বাতিল করুন।
প্রতিটি এন্ট্রিতে কে করল আর কখন করল — লেখা থাকে।
আদায়কারীর হাতে কত টাকা আছে, কত জমা দিল — আলাদা হিসাব।
হাতে-লেখা রসিদের দিন শেষ
বাজারের সাধারণ 58mm বা 80mm POS প্রিন্টারেই রসিদ ছাপে।
বাংলা লেখা ছবি আকারে ছাপা হয় বলে যেকোনো প্রিন্টারে ফন্ট-সমস্যা নেই।
কাগজের মাপ, ফন্ট, তারিখ-সময় ও অটো-প্রিন্ট — ডিভাইস ধরে ধরে সেট করুন।
প্রিন্টার না থাকলে রসিদের ছবি বানিয়ে WhatsApp বা SMS-এ পাঠান।
সাধারণ প্রিন্টারে A4 কাগজে ভাউচার ও রিপোর্ট ছাপা যায়।
ডিপিএস, এফডিআর ও শেয়ারের প্রমাণপত্র — সেভ বা শেয়ার।
ফোন হারালেও এক টাকার হিসাবও হারায় না
সব হিসাব ফোনে নয়, সার্ভারে জমা — নতুন ফোনে লগইন করলেই সব ফিরে আসে।
অ্যাপ ও সার্ভারের মধ্যে সব তথ্য এনক্রিপ্টেড অবস্থায় যায়।
এক সমিতির তথ্য আরেক সমিতি কখনোই দেখতে পায় না।
অ্যাপ খুলতে পিন লাগে; চাইলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইনও চালু করা যায়।
লেনদেন মুছে ফেলার সুযোগ নেই — কারণসহ বাতিল, মূল রেকর্ড অক্ষত।
যেকোনো সময় নিজের হিসাব Excel/CSV ও PDF-এ নামিয়ে নিজের কাছে রাখুন।
চাইলে অনুরোধ করে অ্যাকাউন্ট ও তথ্য মুছে ফেলা যায়।
স্বচ্ছ দাম, ঘরে বসে পেমেন্ট, বাংলায় সহায়তা
অ্যাপ থেকেই বিকাশে ফি পরিশোধ — ব্যাংকে দৌড়াতে হয় না।
প্রতিটি পেমেন্টের ইনভয়েস অ্যাপেই সংরক্ষিত থাকে।
সদস্য বেড়ে গেলে মেয়াদের মাঝেই বড় প্যাকেজে যাওয়া যায়।
মেয়াদ ফুরালে হিসাব মুছে যায় না — নবায়ন করলেই সব ফিরে আসে।
সমস্যা হলে অ্যাপ থেকেই বার্তা পাঠান — বাংলায় উত্তর পাবেন।
১৭টি বিভাগে সাজানো প্রশ্নোত্তর, সার্চ ও ভিডিও সহ — অ্যাপের ভেতরেই।
মোবাইল নম্বর দিয়ে ২–৩ মিনিটে অ্যাকাউন্ট, সেই দিন থেকেই হিসাব শুরু।